জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশের প্রস্তাব তিন মাস আগেই

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশ করতে চায় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও ভালো প্রস্তুতির জন্য তিন মাস আগেই পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে এ সময়ের মধ্যে পরীক্ষার রুটিন (সময়সূচি) প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।

জেএসসির প্রস্তাবিত রুটিনে দেখা গেছে, পূর্বের ধারাবাহিকতা রেখেই আগামী ১ নভেম্বর বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু হবে। ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের মাধ্যমে সৃজনশীল তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে। পরবর্তী তিন দিন শিক্ষার্থীর স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে ব্যবহারিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। গত বছরের মতো ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যায়ন করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে নম্বর পাঠালে তা ফলাফলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

প্রস্তাবিত রুটিনে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে শিক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। এরপর প্রবেশ করলে অবশ্যই তার কারণ ও সেই পরীক্ষার্থীর বিস্তারিত তথ্য দিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। সেসব তথ্য দায়িত্বরত শিক্ষকরা রেজিস্টার খাতায় লিখে তা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে পাঠিয়ে দেবেন।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার কমপক্ষে তিনদিন আগে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে। সৃজনশীর ও বহুনির্বাচনী পরীক্ষার জন্য একই উত্তরপত্র ব্যবহার করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ সৃষ্টি হয়, সেটি কমিয়ে আনতে পরীক্ষার কমপক্ষে তিন মাস আগেই জেএসসি ও সমমানের সময়সূচি প্রকাশ করতে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছি। অনুমোদন পেলেই জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে এ রুটিন প্রকাশ করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর তিন বা চার মাস আগে শিক্ষার্থীদের কাছে রুটিন থাকলে তারা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে পারবে। পরীক্ষা নিয়েও তাদের টেনশন কমে যাবে। এ কারণে তিন মাস আগেই সময়সূচি প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে।’

এ ধারাবাহিকতায় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশেরও প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানান তিনি।