ট্রুপ মিটিং/প্যাক মিটিং এর ধারণা ও সম্পাদনের কৌশল:

যেভাবে প্যাক মিটিং করতে হয়
প্যাক মিটিং
ছয় থেকে এগারো বছর বয়সের শিশুদের নিযে গঠিত হয় স্কা্উটিং এর একটি শাখা কাব-স্কাউট। ছয় থেকে এগারো বছর বয়সী কাবদের হাতে কলমে শিক্ষাদানের একমাত্র ও নিজস্ব অনুষ্ঠান হলো প্যাক মিটিং। এই প্যাক মিটিং এর মাধ্যমেই কাবদের ক্রমোন্নতিশীল শিক্ষার মূল্যায়ণ করা হয়। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো গ্র্যান্ড ইয়েল, যা স্কাউটিং এর অন্য কোনো শাখায় নেই। ইউনিট পর্যায়ে কাব-স্কাউটিংকে আরো বেগবান করার জন্য আমার এ ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। এখানে একটি আদর্শ প্যাক মিটিংএ করণীয় সকল বিষয়কে আলোচনায় আনার চেষ্টা করেছি। এখানে প্যাক মিটিং এর একঘন্টা ব্যাপী বিভিন্ন কাজকে পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করতে চেষ্টা করেছি।

 

ইউনিট লিডার দ্রুত প্যাক প্যাক করেডাকতে থাকবেন। কাবেরা যে যেখানে আছেসেখান থেকে প্যাক প্যাক করতে করতে আগেইরেখে দেয়া পতাকা স্ট্যান্ডের সামনেমহাবৃত্তে দাড়াবে। ইউনিট লিডার পতাকাস্ট্যান্ড থেকে দশ কদম দুরে থাকতেইসেবক ষষ্ঠকের নেতা তার ডান উরুতে থাপ্পরদিয়ে সকলকে সর্তক করবে এবং ইউনিটলিডারকে সালাম প্রদর্শন করবে। এসময় অন্যকাবগন নিরব ও সোজা হয়ে দাড়িয়েথাকবে। ইউনিট লিডার সালাম গ্রহণ করেপতাকা দন্ডের ডানে দাড়াবেন। এবারসিনিয়র ষষ্ঠক নেতা ইউনিট লিডারের সামনেপতাকার বিপরীতে বৃত্তে দাড়াবে।

সিনিয়র ষষ্ঠকনেতা সবাইকে আরামে রেখে এক কদম সামনে এসে দাড়াবে। এবার সতর্ক করে গ্রান্ড ইয়েল দেবে। গ্র্যান্ড ইয়েল দেয়ার সময় ডান হাত ডান পাশে কাধ বরাবর হাতের আঙ্গুলগুলো সোজা রেখে উঠাবে এবং দ্রুত নামাবে। নামানোর সময় হাত মুষ্ঠিবদ্ধ হয়ে নামবে। হাত নামার সাথে সাথে সকল কাব একসাথে বলবে- “আ-কে-লা, আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করব।” ইউনিট লিডার বলবেন- “তোমরা তোমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা কর কর কর কর।” “কর” বলার সময় ইউনিট লিডার প্রথমে ডানে, সামনে, বামে ও শেষে সামনে দৃষ্টি ফেরাবেন। এবার সকল কাব সালামসহ বলবে “আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করব করব করব করব।” ইউনিট লিডার সালাম গ্রহণ করবেন এবং কাবদের শেষবার “করব” বলার সাথে সাথে হাত নামাবেন। কাবগণ ইউনিট লিডারের পরে হাত নামাবে। এবার সিনিয়র ষষ্ঠকনেতা সকলকে আরামে দিয়ে এক কদম পিছিয়ে বৃত্তে চলে যাবে। এবার ইউনিট লিডার ডান উরুতে থাপ্পর দিয়ে সকলকে সোজা ও সতর্ক করবেন। কমান্ড দিবেন-“পতাকা উত্তোলন”। সকলে পতাকা দন্ডের দিকে মুখ ফিরিয়ে নিরব ও সোজা দাড়াবে। পতাকা দন্ডের শীর্ষে উঠার সাথে সাথে ইউনিট লিডার কমান্ড দিবেন– “পতাকাকে সালাম কর”। সকলে পতাকাকে সালাম প্রদর্শন করবে। ইউনিট লিডার পতাকা দন্ডে পতাকার রশি বড়শি গেরো দিয়ে বাধার পর সোজা হয়ে পতাকার দিকে মুখ করে সালাম দিবেন। এবার কমান্ড দিবেন-“হাত নামাও”। সকলে একসাথে হাত নামাবে। ইউনিট লিডার হাতের ইশারায় সকলকে আরামে দাড়াতে বলবেন। এবার সেবক ষষ্ঠকের সহকারী ষষ্ঠক নেতা বৃত্ত থেকে এক কদম ভিতরে এসে ইউনিট লিডারকে সালাম দেবে এবং ইউনিট লিডার সালাম গ্রহণ করার পর প্রার্থনা সঙ্গীত শুরু করবে। সকলে বুকে হাত বেধে দাড়াবে এবং একসাথে প্রার্থনা সঙ্গীত গাইবে।

 

 

বাদশা তুমি দিন ও দুনিয়ার হে পরওয়ার দেগার
সেজদা লওহে হাজার বার আমার হে পরওয়ার দেগার।
চাঁদ সুরুজ আর গ্রহ তারা জীন ইনছান আর ফেরেশতারা
দিন রজনী গাহিছে তারা মহিমা তোমার হে পরওয়ার দেগার।
তোমার নুরের রৌশনী পরশী, উজ্জল হয় যে রবি ও শশী
রঙিন হয়ে উঠে বিকশী, ফুল সে বাগিচার হে পরওয়ার দেগার।
বিশ্বভ‚বনে যাহা কিছু আছে, তোমারি কাছে করুনা যাচে
তোমারই মাঝে মরে ও বাঁচে জীবন সবার, হে পরওয়ার দেগার।

 

প্রার্থনা সঙ্গীত শেষ হলে ইউনিট লিডারকে সালাম দিয়ে কাব এক কদম পিছিয়ে নিজের স্থানে বৃত্তে চলে যাবে। এবার ইউনিট লিডার সকলকে সোজা ও সতর্ক করবেন। কমান্ড দিবেন-“পরিদর্শন ও চাঁদা আদায়”।
এবার প্রত্যেক ষষ্ঠক নেতাগন এক কদম সামনে এসে স্ব স্ব ষষ্ঠকের দিকে ঘুরে দাড়াবে। স্ব স্ব ষষ্ঠকের কাবেরা তাদের নেতাকে সালাম দেবে এবং নেতা সালাম গ্রহণ করবে। নেতা প্রত্যেকের পোশাক পরিপাটি আছে কিনা দেখবে।স্কার্ফ ও ওয়াগল ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা দেখবে ও না থাকলে ঠিক করে দেবে। হাতের নখ ঠিকমতো কাটা হয়েছে কিনা দেখার জন্য ষষ্ঠকনেতা বলবে- “হাত দেখাও”। ষষ্ঠকের সকলে দুইহাত ক্রস চিহ্নের মতো করে সামনের দিকে তুলে ধরবে। ষষ্ঠক নেতা ভালোভাবে দেখবে। শেষে চাঁদা আদায় করে পকেটে রাখবে। সকলকে আরামে দাড়ানোর কমান্ড দিয়ে ইউনিট লিডারের দিকে ঘুরবে এবং দৌড়ে এসে ইউনিট লিডারের সামনে ডান দিক থেকে পর্যায়ক্রমে দাড়াবে।
এবার ইউনিট লিডার কমান্ড দিবেন- “রিপোর্ট পেশ”। সবার আগে যে ষষ্ঠক নেতা ডানে দাড়িয়েছে সে এক কদম সামনে আসবে এবং ইউনিট লিডারকে সালাম করবে। ইউনিট লিডার সালাম গ্রহণ করবেন। ষষ্ঠক নেতা রিপোর্ট পেশ করবে। তার ষষ্ঠকের আজকের অবস্থা সম্পর্কে বলবে। যেমন- “স্যার, আমি লাল ষষ্ঠকের ষষ্ঠক নেতা। আমার নাম রুস্তম। আমি সহ আমার ষষ্ঠকে পাঁচজন উপস্থিত আছে। একজন অনুপস্থিত। সে আজ অসুস্থ আছে বলে আসতে পারে নি। আর সকলেই সুস্থ আছে। পোশাক পরিপাটি আছে। একজন শুধু জুতা পরে আসেনি। আমি তাকে এরপর থেকে পরিপাটি পোশাকে আসার পরামর্শ দিয়েছি। উপস্থিত পাঁচজনই চাঁদা দিয়েছে। প্যাক মিটিং শেষে আপনার
কাছে জমা দেব। স্যার।” ইউনিট লিডার বলবে-“ধন্যবাদ”। লাল ষষ্ঠক নেতা এক কদম পিছিয়ে দাড়াবে। সালাম দিবে এবং আরো এক কদম পিছিয়ে দাড়াবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে সকল ষষ্ঠকনেতা রিপোর্ট পেশ করবে। সকল ষষ্ঠকনেতার রিপোর্ট পেশ হলে সকল ষষ্ঠকনেতা একসাথে ইউনিট লিডারকে সালাম দিবে এবং ইউনিট লিডার সালাম গ্রহণ করবেন। ষষ্ঠক নেতাগণ পিছনদিকে ঘুরে দৌড়ে স্ব স্ব ষষ্ঠকে চলে যাবে।
এবার ইউনিট লিডার আজকের প্যাকমিটিং এর ঘোষনা দেবেন। ঘোষনা এরকম হতে পারে- “মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি, তিনি আমাদেরকে অনেকদিন পর আবার প্যাক মিটিংএ একত্রিত হওয়ার তৌফিক দান করেছেন। আশাকরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় তোমরা সকলেই ভালো আছো। গত প্যাক মিটিংএ তোমাদের ষষ্ঠকনেতাগণ যে যে বিষয়ে শিখিয়েছে সেগুলো তোমরা তোমাদের পড়ার ফাঁকে ফাঁকে ভালভাবে রপ্ত করেছ। আজও তোমাদের ষষ্ঠকনেতাগন তোমাদের নতুন নতুন কিছু বিষয় শিখাবে। তোমরা আনন্দের সাথে সে বিষয়গুলো শিখবে। পরিশেষে তোমাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে আমার বক্তব্য শেষ করছি। সবাইকে ধন্যবাদ।”
ইউনিট লিডার চালিয়ে যাবেন- “এবার একটি গান হলে কেমন হয়? সকল কাব বলবে ভালো হয়। গানটি তোমরা গাইবে না আমি গাইব? কাবগন বলবে আপনিই গাইবেন। তাহলে তোমরাও আমার সাথে হাত তালি দিয়ে সুর মিলাবে।” এখানে যেকোনো গান হতে পারে।
গান
শুনো বলি কাব ভাই,
চলো মোরা প্যাক মিটিং এ যাই। (২বার)
হাতেকলমে শিক্ষা নিতে প্যাক মিটিংএর জুরি নাই। ঐ
নাচ গান আর অভিনয়ে জীবনমুখী শিক্ষা পাই। ঐ
নিজের কাজ নিজে করে পরম সুখানন্দ পাই। ঐ
নানান রকম দড়ির গেরো প্যাক মিটিংএ শিখে যাই। ঐ
নিজকে জেনে দেশকে জানার উপায় খুজে পাই। ঐ
বড়দের কথা মেনে চলার শিক্ষা পাই। ঐ
গান শেষে ইউনিট লিডার কমান্ড দিবেন- “পুরাতন পাঠের জন্য ষষ্ঠকগন স্ব স্ব কর্ণারে চলে যাও।” প্রত্যেক ষষ্ঠক তাদের নিজেদের কর্ণারে চলে গিয়ে পুরাতন পাঠের অনুশীলন করবে। ষষ্ঠকনেতাগন তার তদারকি করবে।
নির্ধারিত সময়ের পর ইউনিট লিডার সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন। ডাক দিবেন- “প্যাক”। সকলে চুপ হয়ে ইউনিট লিডারের দিকে ঘুরে দাড়াবে। ইউনিট লিডার বলবেন- এখন আরেকটা গান হলে কেমন হয়? সকলে বলবে ভালো হয়। এবার গানটা কে গাইবে? তোমরা না আমি? সকলে বলবে- আপনি গাইবেন আর আমরা তাল মেলাবো। তাহলে শুরু করি…
গান শেষে ইউনিট লিডার তিনটি দ্রুত “প্যাক” এবং একটি দীর্ঘ “প্যাক” ধ্বনী উচ্চারণ করবেন। সকল ষষ্ঠকনেতা গন ইউনিট লিডারের কাছে চলে আসবে। ইউনিট লিডার নতুন পাঠ শিখিয়ে স্ব স্ব ষষ্ঠকে পাঠিয়ে দিবেন। ষষ্ঠকনেতাগণ স্ব স্ব ষষ্ঠকে গিয়ে নতুন পাঠ অন্য কাবদের শেখাবে। এক্ষেত্রেও ষষ্ঠকনেতাগণ ইউনিট লিডারের সামনে এসে সালাম বিনিময় করবে এবং চলে যাওয়ার সময়ও সালাম বিনিময় করে চলে যাবে।
নির্ধারিত সময় পরে ইউনিট লিডার একবার দীর্ঘ প্যাক ধ্বনী উচ্চারণ করে সকল কাবকে সতর্ক করবেন এবং গান, কবিতা, অভিনয় অথবা শরীর চর্চা করার নির্দেশনা দেবেন। শরীর চর্চার ক্ষেত্রে বিপির পিটি ৬টি করানো যেতে পারে।
নির্ধারিত সময়ের পর ইউনিট লিডার দ্রুত প্যাক প্যাক ধ্বনী উচ্চারণ করতে থাকবেন। সকল ষষ্ঠক পতাকাতলে উপস্থিত হবে।
ইউনিট লিডার ঘোষনা দিবেন- মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ যে তিনি আমাদের আজকের প্যাক মিটিং সুন্দরভাবে পরিচালনা করার তৌফিক দিয়েছেন। অত্যন্ত আনন্দের সাথে তোমরা নতুন পাঠ গ্রহণ করেছ এবং তোমাদের পড়ার ফাঁকে ফাঁকে তা তোমরা রপ্ত করবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করে সবাইকে আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এখন আমরা স্ব স্ব ধর্মের বানী নিরবে উচ্চারণের মাধ্যমে এক মিনিট নিরব প্রার্থনা করব। সকলে এক মিনিট নিরব হয়ে দাড়িয়ে থাকবে।
এবার সিনিয়র ষষ্ঠকনেতা সবাইকে সর্তক ও সোজা করে আগের মতোই গ্র্যান্ড ইয়েল দেবে।
গ্র্যান্ড ইয়েল শেষ হলে ইউনিট লিডার তার ডান উরুতে থাপ্পর দিয়ে শব্দ বা ঈঙ্গিত করার মাধ্যমে সকলকে সতর্ক ও সোজা করে কমান্ড দিবেন- “পতাকা নামানো”। সকলে পতাকার দিকে ঘুরে দাড়িয়ে নিরব থাকবে। ইউনিট লিডার পতাকা নামাবেন এবং কমান্ড দিবেন- “পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য ছু-টি।” সকলে ডানদিকে ঘুরে বলবে “ধন্যবাদ স্যার”। আর এভাবেই ৬০ মিনিটের সাপ্তাহিক প্যাক মিটিংএর সমাপ্তি ঘটবে।
নিচের সাপ্তাহিক প্যাক মিটিং এর ছক প্রিন্ট করে অথবা অনুরুপ ছক তৈরি করে প্রিন্ট করে খাতা আকারে বাইন্ড করে নিলে প্যাক মিটিং রেজিষ্টার মেইনটেন্যান্স অনেক সহজ হয়ে যায়। এতে শিক্ষকের যেমন প্রস্তুতি নেয়া সহজ হবে তেমনই সময় বাচবে। ছকে শুন্যস্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় তথ্য বসিয়ে এবং কিছু ক্ষেত্রে টিক চিহ্ন দিয়ে পূরণ করে ইউনিট লিডার ও প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সীলমোহর দিয়ে সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
   
 
 
 
একটি প্যাক মিটিং এর নমুনা
 
আরম্ভের সময়ঃ ৩-০০টা                                        শেষ হওয়ার সময়ঃ ৪-০০টা
 
বিষয়                                    দায়িত্ব                              সময়
 
উপস্থিত                                  সকলেই                            ১ মিঃ
গ্র্যান্ড ইয়েল                              সিনিয়র ষষ্ঠক নেতা               ২ মিঃ
পতাকা উত্তোলন                         কাব লিডার                         ১ মিঃ
প্রার্থনা সঙ্গীত                           কাবগণ                             ৩ মিঃ
পরিদর্শন, চাঁদা আদায় ও রিপোর্টিং    ষষ্ঠক নেতাগণ                     ৫ মিঃ
ঘোষণা                                   কাবলিডার                          ৩ মিঃ
খেলা/গান/নাচ/গল্প/অভিনয়             সহকারী কাব লিডার               ৫ মিঃ
পুরাতন পাঠের অনুশীলন               ষষ্ঠক নেতাগণ                     ৯ মিঃ
খেলা/গান/নাচ/গল্প/অভিনয়             সহকারী কাব লিডার               ৫ মিঃ
নতুন পাঠ                                ষষ্ঠক নেতাগণ                     ১৫ মিঃ
খেলা/গান/নাচ/গল্প/অভিনয়             কাব লিডার                         ৫ মিঃ
পতাকার কাছে সমবেত হওয়া         সকলেই                            ১ মিঃ
ঘোষণা/প্রার্থনা                           কাব লিডার                         ২ মিঃ
গ্র্যান্ড ইয়েল                              সিনিয়র ষষ্ঠক নেতা               ১ মিঃ
পতাকা নামানো                         কাব লিডার                         ১ মিঃ
ছুটি                                       কাব লিডার                         ১ মিঃ
 
                                           মোট সময় =                    ৬০ মিঃ
 

 

 

 

 
 
এটি নিচের ছকেও করা যেতে পারে