মুখে কালো কাপড় বাঁধা কর্মসুচি ঘোষনা পুলিশী বর্বরতার প্রতিবাদে

আগামি ২৬ অক্টোবর ২০১৯ শনিবার সকাল ১১.০০ ঘটিকা থেকে ১১.১০ ঘটিকা পর্যন্ত ১০ মিনিট পর্যন্ত সময় সারা বাংলাদেশে একযোগে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ কে মুখে কালোকাপড় বেঁধে গত ২৩ অক্টোবর- ২০১৯ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের অহিংস্র ও শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে নিরীহ শিক্ষকদের উপর পুলিশ বাহিনীর অবিবেচক সদস্য কর্তৃক বর্বরোচিত লাঠি চার্জ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিন্দা, প্রতিবাদ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিধানের দাবিতে এ কর্মসূচী পালনের জন্যে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে অনুরোধ জানানো হয়।

ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবুল কাশেম  বলেন আমরা প্রাথমিক শিক্ষকরা গতকাল অত্যান্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃংখলার সাথে পূর্ব নির্ধারিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ পুলিশী বাধায় করতে না পেরে দোয়েল চত্ত্বরে একত্রিত হই। পুলিশ সেখানেও আমাদের শিক্ষকদের সাথে প্রথম পর্যায়ে খারাপ আচরণ করেছিল।পরে শিক্ষদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখতে পেয়ে আধা ঘন্টা সময় বেঁধে দিয়ে স্থানটির ব্যবহারের সুযোগ দিলেও আবার শিক্ষকদের সাথে ধস্তাধস্তা শুরু করে। এতে সেখানে মোঃ এমরান হোসেন আহত হন।

দুপুর ১২ ঘটিকায় শিক্ষকদের বাঁধ ভাঙ্গা জোয়ারের সৃষ্টি হলে অত্যান্ত শৃংখলার সাথে শহিদ মিনারে শিক্ষকরা জমায়েত হলে লক্ষ শিক্ষকের পদভারে শহিদ মিনার এলাকায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে পুলিশ তাদের সদস্য সংখ্যা আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে নিরপরাধ শিক্ষকদের উপর হামলে পড়ে লাঠি চার্জ শুরু করে এবং অশ্রাব্য ভাষায় আপত্তিজনক ভাষা প্রয়োগ করে নির্যাতন চালায়। যার প্রেক্ষিতে প্রায় ১২ জন শিক্ষক আহত হয়। ঐক্য পরিষদের নোয়াখালী জেলার মূখপাত্র মোহাম্মদ নাছিম ফারুকী  জানান অতীতে আমরা শিক্ষকরা আরো বহু কর্মসুচি পালন করেছি।

এ ন্যাক্কারজনক ও বর্বরভাবে পুলিশ কর্তৃক শিক্ষকদের নির্যাতন হতে দেখিনি। এ ধরনের বিভৎস আচরণ শিক্ষকদের সাথে করা হবে তা বাবতেও গা শিউরে উঠে। তাই প্রাথমিক শিক্ষকরা হামলাকারী সংশ্লষ্ট পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছে।