GPA changed to CGPA:

অনেকে ভাবতে পারেন, পূর্বের পদ্ধতির সাথে বর্তমান পদ্ধতিতে শুধু গ্রেড পয়েন্ট চেঞ্জ হয়েছে। আগে ছিলো ৬টা গ্রেড পয়েন্ট এখন হয়েছে ৯টা গ্রেড পয়েন্ট। আগে সর্বোচ্চ GPA ছিলো 5 আর এখন সর্বোচ্চ CGPA 4, এইই তো! মাঝখানে যাহাই পাক 'D' গ্রেড হতে 'A+' গ্রেডের মধ‍্যে যেকোন একটা গ্রেডে পাশ করলেই হলো!

তবে, যেটা ভাবার বিষয় সেটা হচ্ছে, পাশের সর্বনিম্ন সীমা। পূর্বে ৩৩ পেলে পাশ ধরা হতো বা 'D' গ্রেডে পাশ করতো‌। এখনো সর্বনিম্ন 'D' গ্রেডেই পাশ করবে।
উভয় পদ্ধতিতে সর্বনিম্ন পাশের গ্রেড হচ্ছে 'D' গ্রেড। কিন্তু নতুন নিয়মে পাশের নিম্নসীমা ধরা হয়েছে ৪০। তার মানে আগে পাশ করা সহজ ছিলো কিন্তু এখন একটু কম সহজ হবে। আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ‍্যে প্রচুর পরিমাণ শিক্ষার্থী টেনেটুনে ৩৩ পেয়ে 'D' গ্রেড পাওয়ার আশা নিয়েও পাশ করার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু সেইসব শিক্ষার্থীরা হঠাৎ করে পূর্বের প্রশ্ন কাঠামোতেই ৪০ পেয়ে পাশ করবে তা আমার কাছে কঠিন বলেই মনে হচ্ছে। কেননা, পূর্বের প্রশ্ন কাঠামোতে কমপক্ষে যেন ৩৩ পায় সে হিসেবে কাঠিন‍্য বজায় রেখে প্রশ্ন কাঠামো করা হয়েছিলো। কিন্তু এখন সেই একই প্রশ্ন কাঠামোতে তুলনামূলক দুর্বল শিক্ষার্থীরা কি কমপক্ষে ৪০ পেয়ে পাশ করতে পারবে?
CGPA প্রবর্তনের সাথে সাথে তুলনামূলক দুর্বল শিক্ষার্থীরা যেন কমপক্ষে ৪০ পায় তেমন প্রশ্ন কাঠামোও প্রবর্তন করার দরকার ছিলো। তা না হলে ৪০ এর কম ৩৯ পেলেই 'F' পেয়ে ফেল করবে যেখানে পূর্বে তারা ৩৯ থেকে ৩৩ পেলেও পাশ করতো। তাই ২০১৯ সালে প্রচুর পরিমাণ শিক্ষার্থী ফেল করবে বলে আমার আশঙ্কা।
সুতরাং পরবর্তীতে CGPA বহাল রাখলেও অবশ‍্যই প্রশ্ন কাঠামো চেঞ্জ করতে হবে বলে আমার মত রইলো।