হাইকোর্টের রুল প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের নিয়ে

জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫২ জন সহকারী শিক্ষকের জন্য প্রধান শিক্ষকের পদ ছয় মাস সংরক্ষিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ওই সহকারী শিক্ষকদের সম্মিলিত জ্যেষ্ঠতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিধিমালার একটি ধারা কেন অবৈধ হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান এবং বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী মো. মনিরুল ইসলাম রাহুল ও আইনজীবী সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এবিএম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরীর শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৩ এর বিধি ২(গ) অনুসারে সদ্য জাতীয়করণ করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আত্তীকরণের পূর্বের চাকুরিকাল ৫০ শতাংশ গণনা করার বিধান থাকলেও সম্মলিত জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরির সময় ওই বিধি না মেনে জ্যেষ্ঠতার তালিকা করা হয়েছে। বিধিমালার ৯ (১) এবং ওই তারিখের অব্যবহিত পূর্বে নিয়োগ বিধির অধীন শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে সহকারী শিক্ষকের অবস্থান নির্ধারিত হইবে বলে উল্লেখ রয়েছে। যা সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক।

তিনি আরো বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ফলে ৫২ জনের জন্য প্রধান শিক্ষকের পদ সংরক্ষিত রাখতে হবে।

শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি উপজেলার মোখলেসুর রহমান, আবদুল হালিম, নুরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আবদুল করিমসহ ৫২ জন সহকারী শিক্ষক রিট আবেদনটি দায়ের করেন।