মনে কষ্ট নিয়েও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে দায়িত্ব পালন শিক্ষকদের

আজ (১৭/১১/২০১৯) রোববার শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। শিক্ষকরা কোমলমতি শিশুদের চিন্তা করে অনেক কষ্ট বুকে নিয়ে, আন্দোলন ত্যাগ করে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

কালকের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১১ লাখ ৮১ হাজার ৩০০ জন এবং ছাত্রী ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৬৭ জন।

অন্যদিকে ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮২ জন। আর ছাত্রী ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৮৯ জন।

সারাদেশে মোট ৭ হাজার ৪৭০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের বাহিরে অর্থাৎ বিশ্বের ৮টি দেশের ১২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে যাতে পরীক্ষার্থী অংশ নেবে ৬১৫ জন।   গতবারের তুলনায় এবার শিক্ষার্থী সংখ্যা কমে হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৬১৫ জন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের গত বৃহস্পতিবারের সচিবালয় সংবাদ সম্মেলন সূত্রে জানা যায়, এবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে ছাত্রের চেয়ে ছাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৭৪ জন বেশি। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে ৩ হাজার ৩৪৭ জন এবং ইবেতেদায়ি শিক্ষা সমাপনীতে ২৩৬ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী রয়েছে। পরীক্ষার সময় ২.৩০ ঘন্টা হলেও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সারাদেশে একযোগে সকাল সাড়ে দশটায় পরীক্ষা শুরু হবে। মোট ৬টি বিষয়ে পরীক্ষা হবে প্রতি বিষয়ে ১০০ নম্বর হিসেবে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে।

সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করার জন্য এর মধ্যেই যাবতীয় কর্মকান্ড সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তার সাথে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ ও বিতরণের কাজ শেষ হয়েছে। দেশের যেসব এলাকাকে দূর্গম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সে সকল এলাকার ১৮৪ টি কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সমাপনী পরীক্ষার যাবতীয় তথ্য এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা যাবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

শিক্ষকরা সমাপনী পরীক্ষায় দায়িত্বভার কাঁধে তুলে নিলেও তাদের মনে অনেক কষ্ট জমা হয়েছে। সমাজের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়াবার সম্মাণটুকু যেন তাদের মাথা থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে। তবু দায়ভার তাদের দায়িত্ব থেকে