বিরোধীদলীয় নেতা : শিক্ষকদের ১০ ও ১১তম গ্রেড দেওয়া হোক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে প্রশিক্ষণ পাওয়া ও প্রশিক্ষণবিহীন দুই ধরনের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড হবে ১১তম। আর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণবিহীন সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেড হওয়ার সম্মতি আগেই দিয়েছে অর্থ বিভাগ। যদিও প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি ছিল শিক্ষকদের।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতিপত্র প্রত্যাখ্যান করেছে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক মহাজোটের নেতারা। ওই প্রস্তাব বাদ দিয়ে সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১ তম গ্রেডে নির্ধারণ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ নিয়ে শিক্ষকদের পক্ষে সম্প্রতি সংসদে কথা বলেছিন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের দশম ও সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডের দাবি যুক্তিক।

তিনি বলেন, ১০ম আর ১১তম গ্রেড খুব বেশি বড় দাবি নয়। শিক্ষকদের পর্যাপ্ত বেতন দেওয়া না হলে কীভাবে পড়াবে? শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন কাঠামো ঠিক করতে হবে।

এছাড়া বেকার সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতি বছর ২৩/২৪ লাখ শিক্ষার্থী বের হচ্ছে। তাদের জন্য শিল্পায়নের ব্যবস্থা করতে হবে। শিল্পায়নে দৃষ্টি না দিলে অনেক সমস্যা দেখা দেবে। কৃষি জমি নষ্ট করা যাবে না। কৃষিজমি বাদ দিয়ে শিল্পায়ন করতে হবে। শিল্পায়নে বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন।