শিক্ষকরা একটা ক্লাস নিলেই মিলবে সাড়ে ৩ হাজার টাকা!

ক্লাস প্রতি প্রত্যেক শিক্ষক সাড়ে তিন হাজার টাকা সম্মানী পাবেন। সব মিলিয়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার খরচ হতে পারে। এতে টেলিভিশন সম্প্রচারের চেয়ে খরচ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে আসবে।’ শিক্ষক বাছাই প্রসঙ্গে মোহাম্মদ ফসিউল্লাহ বলেন, ‘ঢাকা মহানগর ও এর আশেপাশের এলাকাগুলো থেকে প্রাথমিকভাবে শিক্ষক বাছাই করা হবে। যারা অনলাইন মাধ্যমে দক্ষ, ভালোভাবে কথা বলতে পারবেন, মূলত তাদের নির্বাচিত করা হবে। এছাড়া, টেলিভিশনে চিত্র দেখিয়ে শিশুদের বোঝানো যায়, কোনো কিছু না দেখিয়ে, কেবল রেডিওতে শুনিয়ে কিভাবে শিশুকে বোঝানো যাবে, তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।’ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনার কারণে শিগগিরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে না। পরীক্ষাও নেওয়া যাচ্ছে না।

তাই শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সঙ্গে যেকোনোভাবে যুক্ত রাখার চিন্তা থেকেই একের পর এক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ‘সংসদ টেলিভিশনের পাঠদান সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছাচ্ছে না। তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

টেলিভিশনের পাশাপাশি রেডিও-মোবাইলের মাধ্যমে পঠনপাঠন পৌঁছাতে একটা প্ল‌্যাটফরম তৈরি করছি। এজন্য ক্লাস রেকর্ড করা হচ্ছে।

এগুলো ধারাবাহিকভাবে রেডিও-মোবাইলফোনে সম্প্রচার করা হবে।’ সচিব আরও বলেন, ‘পাশাপাশি শিক্ষার্থীর মায়েদের কাছে এই বিষয়ে এসএমএস পাঠানো হবে।’ এর মাধ‌্যমে শতভাগ শিক্ষার্থীকে অনলাইন পাঠদানের আওতায় আনা যাবে বলেও মনে করেন তিনি।