ডিপিএড শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

গোপালগঞ্জ পিটিআইয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ডিপিএড প্রশিক্ষনার্থীরা প্রধানমন্ত্রী ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালক বরাবর স্মারক লিপি দিয়েছেন। তারা সরাসরি পরীক্ষা না নিয়ে গাঠনিক মূল্যায়নের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে তারা এই স্বারকলিপি দেন। গত সোমবার বিকাল ৫ টার সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।

তারা দাবি করেন, দীর্ঘদিন পিটিআই বন্ধ থাকার কারনে সরাসরি কোন ক্লাস হয়নি। অনলাইনে ক্লাস করার কারনে অনেকের নেটওয়ার্ক দুবর্ল হওয়ায় সঠিকভাবে ক্লাসও উপস্থিত থাকতে পারেননি। আবার অধিকাংশ প্রশিক্ষনার্থী গ্রামে বসবাস করায় পিটিআইয়ের সঠিক দিক নির্দেশনাও পাননি।

এই বিষয়ে, এক প্রশিক্ষণার্থী ননী গোপাল বালা বলেন, আমাদের ব্যাচে প্রশিক্ষণার্থীরা কোভিড-১৯ মহামারি কালে দীর্ঘ সময়ে প্রশিক্ষণ স্থগিত পর ২০২০ সালের ১ই জুলাই হতে আমাদের অনলাইন ক্লাস শুরু করে। অনেক প্রশিক্ষণার্থীরা বাড়িতে ঠিকমত নেটওয়ার্ক না থাকায় ও আইসিটি দক্ষতা না থাকার কারনে ঠিকমত অনলাইনে ক্লাস করতে পারে নাই। এর মধ্যে কিছু প্রশিক্ষণার্থী করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল। ফলে পড়াশোনারও চরম বিঘ্ন ঘটে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক প্রশিক্ষণার্থী বলেন, অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রমে অংশগ্রহন ছাড়াও আমরা এ্যাসাইনমেন্ট,কেস স্টাডি,কর্ম সহায়ক গবেষণা, মাঠ পরিকল্পনা তৈরি, ব্যাবহারিক কাজ ও ১৭ টি বিষয়ে পুস্তক পর্যালোচনাসহ প্রশ্ন এবং উত্তর তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছি। অনলাইনে ভাইবা পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছি। আমরা ভর্তির ৯ মাস পরে বই পেয়েছি। বর্তমানে শীতের কারনে কোভিড-১৯ এর প্রদুভার্ব বেড়েছে। এর মধ্যে সরাসরি পরীক্ষা দিলে করেনা আক্রান্ত হতে পারে। এ বছরের নতুন ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীরা ভর্তি হয়ে গেছে। যার জন্য আমারা সরাসরি পরিক্ষা না দিয়ে গাঠনিক মূল্যয়নে চূড়ান্ত মূল্যয়ন করার দাবি জানাচ্ছি।