বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের জাতীয়করণের বিষয়ে অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
দেশে যখন করোনা ভাইরাসে নাভিশ্বাস ঠিক সেই মুহূর্তে বাজেট । অথচ বাজেটে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের বিষয়ে কোন অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ২৬ হাজার ৩১১কোটি টাকা ।
যা গত অর্থ বছরে এই মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ছিলো ২৪ হাজার ৯৩৭কোটি টাকা। আগের অর্থ বছরের চেয়ে বেশি থাকলেও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো জাতীয়করণের ঘোষণা না থাকায় শিক্ষকদের মধ্যে হতাশ বিরাজ করছে। তাই বাজেটে জাতীয়করণের বিষয়ে অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকেরা।
শিক্ষকদের দাবি ২০১৩ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় ছিলো ২৭মে ২০১২ সালের পূর্বে স্থাপিত ও পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদনকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে নীতিমালার আলোকে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে জাতীয়করণ করা হবে।
এ ধরনের সারাদেশে ৪১৫৯টি বিদ্যালয়কে এখনো জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়নি । এমতাবস্থায় তাদের মধ্যে থেকে ৫০৬টি বিদ্যালয় ২০১২সালের পূর্বে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ।
শিক্ষকদের দাবি সারাদেশে এই বিদ্যালয়গুলোর মধ্য থেকে ১৩০০বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য সরকারের নির্ধারিত উপজেলা ও জেলা জাতীয়করণ যাচাই-বাছাই কমিটি বিদ্যালয়গুলো যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন। যা মন্ত্রণালয় সংরক্ষিত আছে ।যেহেতু বিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব ক্যাচমান এলাকা এবং সরকারের নামে জমির দলিল রেজিস্টার করে দেওয়া এবং জমি আর ফেরত পাওয়া সম্ভব নয় । এমতবস্থায় বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের আস্থার জায়গা ফিরিয়ে আনার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে আজকে এই কর্মসূচি।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ খোকন সাধারণ সম্পাদক আ স ম জাফর ইকবাল সাংবাদিক সম্পাদক মোঃ ফিরোজ উদ্দিন মোহাম্মদ আলী লিটন মিজান শাহনাজ হাবিবা নিগার সুলতান রাজু মনুদা কিবরিয়া আবু নাছের রায়হান নয়ন শেখ শিখা কহিনুর মোকবুল আতিকুর ধরনী পরেশ সাত্তার আব্দুল্লাহ সুমন বসু প্রমুখ।
