প্রাথমিক শিক্ষকদের দিযে কাজ করানো হচ্ছে উপজেলা শিক্ষা অফিসে

বর্তমানে প্রাথমিক স্কুল গুলোতে চলছে শিক্ষক সংকট। কয়েক জায়গায় তো একজন শিক্ষক দিয়েই চালানো হচ্ছে বিদ্যালয়। ফলে শিক্ষার্থীর বিপরীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষক সংকটে ভুগছে। এতে পাঠদানে ঘটছে বিঘ্ন।কিন্তু এমন শিক্ষক সংকট অবস্থায় ক্লাস ফেলে রেখে প্রাথমিক শিক্ষকদের দিযে কাজ করানো হচ্ছে শিক্ষা অফিসে।এমন চিত্র নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের অধিকাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

সরজমিনে দেখা গেছে, নেত্রকোনার পশুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুব্রত চক্রবর্তী বিদ্যালয় ফেলে রেখে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে। কাগজে কলমে সহকারী শিক্ষক হলেও তিনি শিক্ষা অফিসে সহকারীর কাজ করেছেন। ওই বিদ্যালয়ে বর্তমানে মাত্র ৩ জন শিক্ষক মিলে ২৩০ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান করছেন। ফলে শিক্ষার্থীর বিপরীতে নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষক সংকটে ভুগছে বিদ্যালয়টি।

পশুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহীদুল ইসলাম বলেন, এই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুব্রত চক্রবর্তী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসেই নিয়মিত কাজ করেন। দাপ্তরিক কাজকর্ম ভাল বোঝার কারণে কর্মকর্তারা তাকে অফিসেই রাখেন।

এ ষিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিপালী সরকার বলেন, সহকারী শিক্ষক সুব্রত চক্রবর্তী শিক্ষা অফিসে কাজ করছেন। এই বিষয়টা আমাদের ডিজি অফিস থেকেই বলা আছে যে, কম্পিউটার বিষয়ক কাজে পারদর্শী একজন শিক্ষক শিক্ষা অফিসে কাজ করাতে হবে।

তবে তার বক্তব্যের সাথে ভিন্নমত পোষণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ছাব্বির আহমেদ আকুঞ্জি। তিনি বলেন, অফিসে কাজ করার জন্য তো অফিস সহকারী থাকবে, এ কাজ সহকারী শিক্ষক করবেন কেন। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি।