শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুম পরিষ্কার করতে হবে -মনিটরিং করবেন শিক্ষকরা

ক্লাসরুম পরিষ্কার করতে হবে শিক্ষার্থীদের মনিটরিং করবেন শিক্ষকরা ।করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতার দিকটাই বেশি নজরে এসেছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার কয়েকদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার থাকলো বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ ও আঙ্গিনা গুলো বেশি অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা নজরে বেশি আসছে। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শ্রেণী শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকরা মিলে শিক্ষার্থীদের দিয়েই শ্রেণিকক্ষ সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার রাখতে হবে। কোন শিক্ষক যদি এই অনুসরণ না করেই গাফিলতি করেন তাহলে প্রধান শিক্ষকের সে বিষয়ে রিপোর্ট করতে হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও শ্রেণিকক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে সরকার।এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষার্থীদের ছয়টি দলে ভাগ হয়ে শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করতে হবে। শিক্ষার্থীদের এক একটি দল এক একদিন শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা ও শ্রেণিকক্ষ অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা কারণেই অনেক সময় শিক্ষার্থীদের রোগবালাই বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের নিজেদের আপন মনে করে নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরাই সব সময় পরিষ্কার পরিছন্নতা রাখতে হবে। একটি কথা মনে রাখতে হবে যে শিক্ষার্থীরাই শ্রেণিকক্ষে বেশি অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা করেন রাখেন তাই তাদেরই নিজেদের শ্রেণিকক্ষ নিজেরাই সবসময় পরিষ্কার পরিছন্নতা করতে হবে, এটা একটি মহৎ কাজ এতে কোন প্রকার গাফিলতি করা যাবে না।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) রাতে এ নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।

নির্দেশনায় অধিদপ্তর বলছে, শিক্ষার্থীরা তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য শিক্ষকের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহের ৬ দিনের জন্য ৬টি দলে ভাগ করে নিজ শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংলগ্ন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবে।

ক্লাস শেষে যে দলের যে দিন দায়িত্ব থাকবে তারা নিজ শ্রেণিকক্ষ সেদিন পরিষ্কার করে শ্রেণিকক্ষ ত্যাগ করবে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও শিক্ষকদের অধিদপ্তর বলছে, প্রতি শ্রেণির জন্য পর্যাপ্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গ্লাভস, সাবান, বালতি, স্যাভলন বা জীবানুনাশক, ডাস্টার (কাপড়ের), বিন, সরবরাহ করতে হবে। ‘কোন কাজই ছোট নয়’-এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের উজ্জীবিত করতে হবে। সে জন্য শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের উৎসাহ দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থী-শিক্ষক-কর্মচারীর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি।
এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে নিজেরাই তাদের শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিদিন সচেষ্ট থাকবে। 
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সব আঞ্চলিক উপপরিচালকদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।